Graphic's For Non-Techies, the easier way to learn …

4 Best Colors Websites For All Designer

Don't Miss Out, Click The Subscribe Button

Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Description

বাংলাতে কিছু কিছু আর্টিকেল আছে কালার সিলেকশন বিষয়টি নিয়ে। তবে তার অধিকাংশই ইংরেজী আর্টিকেলের বঙ্গানুবাদ। তবে আমি আমার নিজের মত করেই লিখতে চেষ্টা করবো। কালার সাইকোলজির অনেক দিক রয়েছে। তবে আমি সব দিক নিয়ে লিখবো না। কেননা, তা কখনোই সম্ভব নয়। শুধু ডিজাইনে কিভাবে, কোন পরিস্থিতিতে, কোন ধরনের ডিজাইনের জন্য কিভাবে কোন রঙ ব্যবহার করবেন, তা নিয়ে কিছু লিখবো।

কালার এর ব্যবহার সম্পর্কে কেন জানবো???
যারা অনলাইনে বা ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে ডিজাইনের কাজ করেন তারা অধিকাংশ সময়েই কালার নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন যে, কিভাবে, কোন কালার ব্যবহার করলে আপনার ওই ডিজাইন টি আরো বেশী প্রফেশনাল হতো অথবা আরো বেশী দেখতে সুন্দর লাগতো। যদিও নিজের মনের মাধুরি মেশানো রং করাই হচ্ছে ডিজাইনকে সুন্দর করে। কিন্তু তবু যদি কালার সম্পর্কে আপনার ভাল জ্ঞান না থাকে তাহলে কখনোই আপনি আপনার ডিজাইন কে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হবেন। এ কারণে কালার সম্পর্কে আমাদের মোটমুটি ভাল জ্ঞান রাখা অত্যাবশ্যক। বিশেক করে যারা ডিজাইন করেন।
আবার অনেক সময় দেখা যায় যে, আপনি আপনার মনের মত সব কিছু ঠিক ঠাক করে সুন্দর ডিজাইন করেছেন কিন্তু যখন আপনার ক্লাইন্ট বা কাস্টমার এর নিকট ডিজাইনটি উপস্থাপন করলেন তখন সে তা পছন্দ করলো না। অথবা অনেক সময় এমনও হয় যে, আপনি এবং আপনার ক্লাইন্ট ডিজাইন পছন্দ করেছেন কিন্তু এই ডিজাইনটিকে কোন ইউজার বা ব্যবহারকারী পছন্দ করে না। সুতরাং এই ধরনের সমস্যার মোটামুটি ৮০%-৯০% সমাধানের জন্য আপনাকে কালার সম্পন্ধে মোটামুটি ভাল মানের জ্ঞান রাখা অত্যাবশ্যক।
আমি আমার স্বল্প জ্ঞানে আমার মতো করে কিছুটা লিখার চেষ্টা করবো। আপনারা Google এ সার্চ করলে অনেক সুন্দর আর্টিকেল পাবেন কালার গ্রাফিক এর উপরে।

আমরা প্রথমে কালার কে চেনার জন্য সমস্ত কালার কে কয়েক ভাগে ভাগ করতে পারিঃ-

  1. Primary Color
  2. Secondary Color
  3. Tertiary Color
    এই কালার গুলোর একটা প্রভাবক আছে। যেটা কালারের উপরে প্রভাব ফেলে হাজার হাজার কালার বা রং তৈরী করে। সেই প্রভাবক হচ্ছে LIGHT বা আলো। আরেকটা কথা জেনে রাখা দরকার, সেটা হচ্ছে কালো বা সাদা কালার বলতে কোন কালার নাই। (যদিও শুনতে অবাক লাগতে পারে। যারা বিজ্ঞানের ছাত্র তারা ব্যাপারটা ভাল বুঝবেন)
    যেখানে আলোর অধিক্য আছে সেখানেই সাদা বা WHITE কালার এর উৎপত্তি। আর যেখানে আলো নেই সেখানেই অন্ধকার বা কালো BLACK COLOR ব্যাপারটা আরেকটু বুঝতে হলে নিচের ইমেজটিতে একটু লক্ষ করুন। আমরা জানি যে সূর্যের আলোতে অনেক কালার বিদ্যমান থাকে এবং বিকেলের সূর্যটা একটা লালিমা আভা বা লাল পরিবেশ তৈরী করে। ইমেজটি সে মূহুর্তের ই একটা কিন্তু লক্ষ করবেন যে, সূর্যটার দিকে তাকালে দেখা যায় যে, সূর্যটার ওই অংশটা ”সাদা বা WHITE” দেখা যাচ্ছে। আর এভাবেই মূলত সাদা কালার এর উৎপত্তি। অর্থাৎ আলোর অধিক্য যেখানে প্রচুর সেখানেই সাদা।
    এছাড়াও আপনি আপনার টর্চ লাইট দিয়ে একটা যে কোন স্থান বা কালারের উপরে আলোটা জ্বালান দেখবেন যে, যেই যায়গায় আপনার লাইটের আলো পড়েছে ঠিক সেই জায়গাটুকু সাদা দেখাচ্ছে। যদিও লাইট লাল বা অন্য কোন কালারের উপরে বা ফ্লোরে জ্বালিয়েছেন।
    আর যেখানে আলো নেই সেখানেই অন্ধকার বা কালো। এটার প্রমাণ আশা করি বুঝানো দরকার নাই। আমরা রাতের বেলা চোখে দেখি না কেন??? কারণ রাতের বেলা আলো নাই। সূর্য মামা অন্য অারেক দেশ চলে যায়। রাতের বেলা দেখার জন্য আমাদেরকে কৃত্রিম আলো ব্যবহার করতে হয়।
    এই আলোর উপরে ভিত্তি করে কালার বা রং কে আরো তিনটা ভাগে ভাগ করা যায়ঃ-
  4. Tints Color
  5. Tones Color
  6. Shades Color

এই পৃথিবীটা মহান আল্লাহ তায়ালা মাত্র তিনটা কালার দিয়ে সাজিয়েছেন। কি ভাবতে অবাক লাগছে? অবাক লাগলেও এটাই সত্যি যে, এই পৃথিবী Primary বা Basic কালার হচ্ছে মাত্র তিনটিঃ-
1. Red 2. Yellow 3. Blue
হ্যা!! এই তিনটি কালার ই হচ্ছে আমাদের পৃথিবীতে যত কালার আছে তার মধ্যে মৌলিক কালার। এছাড়া আমরা আরো যত ধরণের কালার বা রং দেখতে পাই তা এই তিনটা কালার থেকেই উৎপন্ন। হয়তো অনেকেই চিন্তা করছেন যে, তাহলে তা কিভাবে উৎপন্ন তা এটা কি সম্ভব নাকি!!! আমি এক এক করে সব কিছু নিয়ে আলোচনা করার চেষ্ট করবো। আরো বিস্তারি আলোচনা সামনে করা হবে।

Details About Secondary Color
Secondary Color হচ্ছে উপরের তিনটা মৌলিক কালারের সংমিশ্রণে আরো তিনটা কালার এর উৎপন্ন হয়। তা হচ্ছে Secondary Color। ভাল করে বুঝার জন্য ইমেজ লক্ষ করুনঃ-
ইমেজে লক্ষ করলেই দেখতে পাবেন যে, তিনটা মৌলিক কালারের মাঝে অর্থাৎ তিনটা মৌলিক কালার সমান সংমিশ্রণে তাদের মাঝে আরো তিনটা কালার উৎপন্ন হয়েছে তা হচ্ছেঃ-

  1. Orange (Red 50% + Yellow 50% = Orange)
  2. Green (Yellow 50% + Blue 50% = Green)
  3. Purple (Blue 50% + Red 50% = Violet) (বি.দ্র. এখানে Voilet হবে না। এই কালারটার নাম Purple)

অর্থাৎ মৌলিক কালারের সমান সমান যুক্ত হয়ে যে তিনটি কালার উৎপন্ন করে তা হচ্ছে Secondary Color.

  1. Details About Tertiary Color
    এবার আসা যাক Tertiary Color এ। এ পর্যন্ত আমরা ছয়টা কালার এর পরিচয় পেলাম। এখন আমরা যদি এই ৬ টা কালারের সার্কেল এর দিকে তাকাই এবং এই ছয়টা কালারকে কে আবার অাগের মত সমান সমান ভাবে মিশ্রণ করি তখন আমরা আরো ছয়টা কালার পাই। এই ছয়টা কালার হচ্ছে Tertiary Color। ভালভাবে বুঝতে নিচের ইমেজ লক্ষ করুণঃ-
    লক্ষ করুণ যে, ছয়টা কালার এর মাঝে আরো ছয়টা কালার এর উৎপন্ন হয়েছে। আর তা হচ্ছেঃ-
  2. Vermilion (Red 50% + Orange 50% = Vermilion)
  3. Amber (Orange 50% + Yellow 50% = Amber)
  4. Chartreuse (Yellow 50% + Green 50% = Chartreuse)
  5. Teal or Cyan (Green 50% + Blue 50% = Teal or Cyan)
  6. Violet (Blue 50% + Purple 50% = Violet)
  7. Magenta (Purple 50% + Red 50% = Magenta)

সুতরাং এভাবে Secondary েএবং Primary কালার এর মিশ্রণে আরো যে ৬ টি কালারের উৎপন্ন হয়। তা হচ্ছে Tertiary Color

আশা করি আপনাদেরকে বোঝাতে পেরেছি, কতটা পেরেছি জানিনা কিন্তু যদি আপনারা অনেক ভাল রেসপন্স করেন আমার এই পোস্টে, পরবর্তীতে এই বিষয় নিয়ে আরো ভাল গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য লিখার চেষ্টা করব।

আর হ্যা নিচে চারটি ওয়েবসাইটের লিক দেওয়া হল।
https://colorhunt.co/
http://coolors.co/
http://khroma.co/
https://culrs.com/

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Arif @ Happy Arif

My passion is making the best quality video tutorial online, for non-techies. When I am not behind the camera, I am usually helping out one of my YouTube subscribers.

Related Post